• ১৫ কার্তিক ১৪৩৩, বুধবার ০৪ নভেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

PV Sindhu

খেলার দুনিয়া

বিদেশের মাটিতে টুর্নামেন্ট খেলতে গিয়ে বিপাকে সিন্ধুরা! আচমকাই বন্ধ আর্থিক সাহায্য, উঠছে প্রশ্ন

বিদেশের মাটিতে একের পর এক প্রতিযোগিতায় খেলছেন ভারতের ব্যাডমিন্টন তারকারা। কিন্তু সেই সময়েই আচমকা বন্ধ হয়ে গেল তাঁদের আর্থিক সাহায্য! এমনই অভিযোগ তুলেছেন পিভি সিন্ধুর মতো প্রথম সারির খেলোয়াড়েরা। আর্থিক সমস্যার মধ্যেই বিদেশে প্রতিযোগিতায় নামতে হচ্ছে তাঁদের। এই ঘটনায় অভিযোগের আঙুল উঠেছে ভারতীয় ক্রীড়া কর্তৃপক্ষের দিকে।জানা গিয়েছে, ভারতের একাধিক ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড়ের ফিনল্যান্ড, ডেনমার্ক, ফ্রান্স এবং জার্মানিতে প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার কথা ছিল। সেই মতো বিদেশ সফরেও গিয়েছিলেন তাঁরা। সম্প্রতি জার্মানিতে হাইলো ওপেনের ফাইনালে ডেনমার্কের লাইন কেয়ার্সফেল্টকে সরাসরি দুই গেমে হারিয়ে খেতাব জেতেন অলিম্পিকে দুটি পদকজয়ী পিভি সিন্ধু। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পুরুষদের বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হন ভারতের লক্ষ্য সেন।সদ্য শেষ হওয়া এশিয়ান গেমসে ভারতীয় ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স খুব একটা ভালো ছিল না। মাত্র একটি ব্রোঞ্জ পদক পেয়েছিল ভারত। সেই ব্যর্থতার পর বিদেশের প্রতিযোগিতায় ভালো ফল করে ছন্দে ফেরার ইঙ্গিত দিচ্ছিলেন ভারতীয় শাটলারেরা। কিন্তু এর মধ্যেই সামনে এল আর্থিক সাহায্য বন্ধ হয়ে যাওয়ার অভিযোগ।খবর অনুযায়ী, বিদেশ সফরে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিন আগে খেলোয়াড়দের জানানো হয়, তাঁদের জন্য বরাদ্দ আর্থিক সাহায্য বন্ধ করা হচ্ছে। ফলে বিপাকে পড়েন শাটলারেরা। কারণ এই সাহায্য না পেলে বিদেশে যাতায়াত, থাকা এবং খাওয়ার খরচ নিজেদেরই বহন করতে হয়। আর্থিক সমস্যার কারণে অনেক খেলোয়াড়কে কোচ ও সহায়ক কর্মীদের ছাড়াই প্রতিযোগিতায় নামতে হয়েছে বলে অভিযোগ।এই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পিভি সিন্ধু। তাঁর কথায়, বিষয়টি জানার পর তিনি স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছিলেন। শেষ পর্যন্ত নিজের উদ্যোগেই অর্থের ব্যবস্থা করে প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে হয়েছে তাঁকে। সিন্ধুর মতো দেশের অন্যতম সেরা খেলোয়াড়কেও কেন নিজের খরচে বিদেশে খেলতে হবে, সেই প্রশ্ন উঠছে।প্রথমে শোনা যাচ্ছিল, এশিয়ান গেমসে খারাপ ফলের কারণেই হয়তো খেলোয়াড়দের আর্থিক সাহায্য বন্ধ করা হয়েছে। তবে ভারতীয় ক্রীড়া কর্তৃপক্ষের তরফে অন্য ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। তাদের দাবি, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা দিতে পারেনি ব্যাডমিন্টন সংস্থা। দীর্ঘদিন ধরে এই সমস্যা চলছিল। সেই কারণেই আর্থিক সাহায্য বন্ধ হয়েছে।তবে কর্তৃপক্ষের এই ব্যাখ্যার পরেও প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। সংস্থার নথি জমা দিতে দেরি হলে তার প্রভাব কেন খেলোয়াড়দের উপর পড়বে? পিভি সিন্ধুর মতো আন্তর্জাতিক স্তরের তারকাকেও কেন নিজের অর্থের ব্যবস্থা করে বিদেশে খেলতে হবে? এই ঘটনা নিয়ে ক্রীড়ামহলে শুরু হয়েছে আলোচনা।

নভেম্বর ০৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

‌৮ বছর পর এশিয়ান ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপে নজির সিন্ধুর

এশিয়ান ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপে আবার সিন্ধু গর্জন। ৮ বছর পর আবার পদক নিশ্চিত করলেন ভারতের মহিলাদের ১ নম্বর তারকা পি ভি সিন্ধু। ফিলিপিন্সের ম্যানিলায় অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতায় কোয়ার্টার ফাইনালে চীনের হে বিং জিয়াওকে হারিয়ে সেমিফাইনালে উঠেছেন তিনি। সেমিফাইনালে ওঠার পথটা অবশ্য ততটা মসৃন ছিল না সিন্ধুর সামনে। ২৫ বছর বয়সী চীনের হে বিং জিয়াও চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দিয়েছিলেন সিন্ধুকে। শেষ পর্যন্ত ১ ঘন্টা ১৬ মিনিটের লড়াইয়ে ২১৯, ১৩২১, ২১১৯ ব্যবধানে জেতেন সিন্ধু। গত ১ বছরের মধ্যে এই নিয়ে টানা তিনবার হে বিং জিয়াওয়ের বিরুদ্ধে জিতলেন তিনি। গতবছর টোকিও অলিম্পিকে চীনের এই শাটলারকে হারিয়েই ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন সিন্ধু। এদিনও হে বিং জিয়াওকে হারিয়ে এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে ব্রোঞ্জ নিশ্চিত করলেন। ২০১৪ সালে শেষবার দক্ষিণ কোরিয়ার গিমচেওনে অনুষ্ঠিত এশিয়ান ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপে বোঞ্জ জিতেছিলেন সিন্ধু। ৮ বছর পর আবার পদক নিশ্চিত করলেন এই ব্যাডমিন্টন তারকা। ২০১৭ সালে ইউহানে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতায় বিং জিয়াওয়ের কাছেই পরাজিত হয়েছিলেন সিন্ধু। সেই পরাজয়ের মধুর প্রতিশোধও নিলেন। দুজনের মুখোমুখি লড়াইয়ে অবশ্য এখনও ৯৮ ব্যবধানে এগিয়ে বিং জিয়াও।এদিন কোয়ার্টার ফাইনালে দারুণ শুরু করেছিলেন সিন্ধু। শুরুর দিকে বিং জিয়াওকে একেবারে দাঁড়াতেই দেননি। একসময় ১১২ ব্যবধানে এগিয়ে যান। মাত্র ১৩ মিনিটেই প্রথম গেম ২১৯ ব্যবধানে জিতে নেন সিন্ধু। দ্বিতীয় গেমে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ান বিং জিয়াও। ২১১৩ ব্যবধানে জিতে ম্যাচে সমতা ফেরান। তৃতীয় গেম জমে ওঠে। শুরুর দিকে সিন্ধুর দাপট থাকলেও পরে খেলায় ফেরেন বিং জিয়াও। এক সময় ৬১১ ব্যবধানে পিছিয়ে ছিলেন। সেখান থেকে সমতা ফেরান। হাড্ডাহাড্ডি লড়াই করেও শেষরক্ষা করতে পারেননি। বিং জিয়াওয়ের একের পর এক আনফোর্সড এররের সুবিধা কাজে লাগিয়ে শেষপর্যন্ত ২১১৯ ব্যবধানে তৃতীয় গেম জিতে সেমিফাইনালে পৌঁছে যান সিন্ধু।

এপ্রিল ২৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌সুইৎজারল্যান্ডের বাসেলে সিন্ধু গর্জন, কী এমন করলেন এই মহিলা ব্যাডমিন্টন তারকা?

রবিবার সুইৎজারল্যান্ডের বাসেলে ঘটল সিন্ধু গর্জন। থাইল্যান্ডের বুসানন ওংবামরুঙ্গফনকে উড়িয়ে সুইস ওপেনে মহিলাদের সিঙ্গলসে চ্যাম্পিয়ন হলেন ভারতীয় ব্যাডমিন্টন তারকা পিভি সিন্ধু। চলতি বছরে এটা দ্বিতীয় খেতাব সিন্ধুর। জার্মান ওপেন ও অল ইংল্যান্ড ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতার ব্যর্থতা কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়ালেন দেশের এই এক নম্বর মহিলা শাটলার। সুইস ওপেনের ফাইনালে জিতলেন ২১১৬, ২১৮ ব্যবধানে। এবছরের শুরুতেই সৈয়দ মোদী আন্তর্জাতিক ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতায় মহিলাদের সিঙ্গলসে চ্যাম্পিয়ন হন সিন্ধু। এবার সুইস ওপেনে চ্যাম্পিয়ন। এই নিয়ে সুইস ওপেনে টানা দ্বিতীয়বার ফাইনালে উঠেছিলেন সিন্ধু। এদিন ফাইনালে প্রতিযোগিতার চতুর্থ বাছাই বুসাননকে হারাতে সময় নেন মাত্র ৪৯ মিনিট। বুসাননের বিরুদ্ধে সিন্ধুর পরিসংখ্যান যথেষ্ট ভাল। সুইস ওপেনে মুখোমুখি হওয়ার আগে ১৬ বার সাক্ষাৎকারে ১৫ বার জিতেছিলেন সিন্ধু। ২০১৯ সালে হংকং ওপেনেই একমাত্র বুসাননের কাছে পরাস্ত হয়েছিলেন সিন্ধু। সুতরাং ফেবারিট হিসেবেই এদিন ফাইনাল খেলতে নেমেছিলেন। এদিনের ফাইনালে প্রথম গেমে সিন্ধু ৩০ ব্যবধানে এগিয়ে যান। এরপরই ঘুরে দাঁড়ান বুসানন। এসময় প্রথম গেমে ফল দাঁড়ায় ৭৭। আবার এগিয়ে যান সিন্ধু । বুসানন কঠিন চ্যালেঞ্জের সামনে ফেলে দেন সিন্ধুকে। তুল্যমূল্য লড়াই করে এক সময় ১৩১৩ করে ফেলেন। কিন্তু এরপর একের পর এক ভুল করতে থাকেন বুসানন। তাঁর সেই ভুল কাজে লাগিয়ে এগিয়ে যান সিন্ধু। সিন্ধু ১৬১৩ লিড নিয়ে নেন। শেষ পর্যন্ত ২১১৬ ব্যবধানে প্রথম গেম জিতে নেন। প্রথম গেমে তবু একটু লড়াই দিয়েছিলেন বুসানন। দ্বিতীয় গেমে দাঁড়াতেই পারেননি। দ্বিতীয় গেমের শুরুতেই ৫০ ব্যবধানে এগিয়ে যান সিন্ধু। এই সময় তিনি অনেক বেশি আক্রমণাত্মক মেজাজে খেলছিলেন। বিরতিতেই তিনি এগিয়ে যান ৯ পয়েন্টের ব্যবধানে। একসময় ১৮৪ ব্যবধানে এগিয়ে খেতাবের কাছাকাছি পৌঁছে যান। শেষ অবধি দ্বিতীয় গেম ২১৮ ব্যবধানে জিতে চ্যাম্পিয়ন হন সিন্ধু। মহিলাদের সিঙ্গলসে সিন্ধু চ্যাম্পিয়ন হলেও পুরুষদের সিঙ্গলসে ব্যর্থ এইচএস প্রণয়। ইন্দোনেশিয়ার জোনাথন ক্রিস্টির কাছে হেরে চ্যাম্পিয়নের স্বপ্ন অপূর্ণ থেকে যায় এই ভারতীয় ব্যাডমিন্টন তারকার। ক্রিস্টি ২১১২, ২১১৮ ব্যবধানে প্রণয়কে হারিয়ে খেতাব জেতেন।

মার্চ ২৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

PV Sindhu : ‌কাঁটা সেই তাই জু, ব্যাডমিন্টনের বিশ্বচ্যাম্পিয়নশিপ থেকে বিদায় সিন্ধুর

তাই জু যেন কাঁটা কিছুতেই সরাতে পারছেন না ভারতের ব্যাডমিন্টন তারকা পি ভি সিন্ধু। টোকিও অলিম্পিকের সেমিফাইনালে এই তাই জুর কাছেই হেরে রুপো জয়ের স্বপ্ন শেষ হয়ে গিয়েছিল ভারতের ১ নম্বর মহিলা ব্যাডমিন্টন তারকার। এবার বিশ্বচ্যাম্পিয়নশিপের কোয়ার্টার ফাইনাল থেকেও ছিটকে যেতে হল তাই জুর কাছে হেরে। খেতাব ধরে রাখার স্বপ্ন অধরাই থেকে গেল সিন্ধুর। তাইওয়ানের শাটলার তাই জু ২১১৭, ২১১৩ ব্যবধানে সিন্ধুকে হারিয়ে পৌঁছে গেলেন বিশ্বচ্যাম্পিয়নশিপের সেমিফাইনালে।ম্যাচের শুরু থেকেই তাই জুর আধিপত্য ছিল। প্রথমে ৫২ ব্যবধানে এগিয়ে যান। একসময় তাই জুর পক্ষে ফল ছিল ১১৬। পরে সিন্ধু ব্যবধান কিছুটা কমিয়ে নিয়ে আসেন। ব্যবধান কমে দাঁড়ায় ৩ পয়েন্টের। শেষ পর্যন্ত ২১১৭ পয়েন্টে দ্বিতীয় গেম জিতে নেন তাই জু। দ্বিতীয় গেমে একসময় দারুণ হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলছিল। ফল ছিল ১২১২। সেখান থেকে আস্তে আস্তে ব্যবধান বাড়াতে থাকেন তাই জু। শেষ পর্যন্ত ২১১৩ ব্যবধানে দ্বিতীয় গেম জিতে সেমিফাইনালে পৌঁছে যান তাইওয়ানের এই শাটলার। এই নিয়ে টানা ৫ বার তাই জুর কাছে হারলেন সিন্ধু। দুজনে মোট মুখোমুখি হয়েছেন ২০ বার। এর মধ্যে তাই জু জিতেছেন ১৫ বার। পি ভি সিন্ধু জিতেছেন ৫ বার।সিন্ধু বিদায় নিলেও পদক জয় নিশ্চিত করলেন কিদাম্বি শ্রীকান্ত ও লক্ষ্য সেন। পুরুষদের সিঙ্গলসের কোয়ার্টার ফাইনালে হল্যান্ডের মার্ক ক্যালজাউকে ২১৮, ২১৭ ব্যবধানে উড়িয়ে পৌঁছে গেলেন সেমিফাইনালে। এই প্রথম ক্যালজাউয়ের বিরুদ্ধে কোর্টে নেমেছিলেন শ্রীকান্ত। অচেনা প্রতিপক্ষ হলেও দারুণ দাপট দেখান এই ভারতীয় শাটলার। প্রথম গেমে একসময় ১১৫ ব্যবধানে এগিয়ে যান। ব্যবধান ধরে রেখে ২১৮ ব্যবধানে শেষ পর্যন্ত প্রথম গেম জিতে নেন। দ্বিতীয় গেমেও একইরকম দাপট ছিল শ্রীকান্তের। ১১৩ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে ২১৭ পয়েন্টে জিতে সেমিফাইনালে পৌঁছে যান। অন্যদিকে, হাড্ডাহাড্ডি লড়াই করে চিনের জুন পেং ঝাউকে ২১১৫, ১৫২১, ২২২০ ব্যবধানে হারিয়ে সেমিফাইনালে পৌঁছেছেন লক্ষ্য সেন।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

PV Sindhu : লেহেঙ্গা–চোলিতে ধামাল নাচে নেটিজেনদের হৃদয় কাঁপালেন এই মহিলা ব্যাডমিন্টন তারকা

কিছুদিন আগেই সোশ্যাল মিডিয়ায় একটা ছবি দারুণ ভাইরাল হয়েছিল। হলুদ সুইমিং স্যুটে সমুদ্র সৈকতে দেখা গিয়েছিল পিভি সিন্ধুকে। সুইমিং স্যুটে ভারতীয় এই মহিলা ব্যাডমিন্টন তারকাকে অপূর্ব লাগছিল। এবার নতুন ভুমিকায় সকলকে মুগ্ধ করলেন পিভি সিন্ধু। লেহেঙ্গাচোলিতে ধামাল নাচে করলেন দেওয়ালির সেলিব্রেশন। তাঁর সেই ভিডিও দারুণ ভাইরাল হয়েছে। হৃদয় জয় করে নিয়েছে নেটিজেনদের।ওই ভিডিওর রেশ কাটতে না কাটতেই এবার দিওয়ালি সেলিব্রেশনে মেতে উঠলেন পিভি সিন্ধু। দিওয়ালি সেলিব্রেশনে অন্য চেহারায় ধরা দিয়েছেন। এইরকম ভুমিকায় আগে কখনও দেখা যায়নি ভারতীয় এই মহিলা ব্যাডমিন্টন তারকাকে। দিওয়ালির সেলিব্রেশনে পিভি সিন্ধু এদিন পরেছিলেন ঐতিহ্যবাহী লেহেঙ্গাচোলি৷ গহনাতে সেজে উঠেছিলেন। শুধু সাজগোজ করেই থেমে থাকেননি সিন্ধু, Love Nwantiti গানে রীতিমতো নেচে দেখান। গানটি এই মুহূর্তে দারুণ জনপ্রিয়। সেই নাচের ছবি নিজের ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেছেন পিভি সিন্ধু। ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করা তাঁর সেই নাচের ভিডিও শেয়ার করেছেন দিওয়ালি সিরিজে৷ পিভি সিন্ধুর অন্যান্য জনপ্রিয় ছবির পাশাপাশি এই নাচের ভিডিও ১২ লক্ষ ভিউ হয়ে গেছে।Love Nwantiti গানটি সারা পৃথিবী জুড়েই দারুণ জনপ্রিয়৷ পিভি সিন্ধুও সেই চ্যালেঞ্জেই যোগদান করলেন৷ তিনি ভারতের কয়েকজন সেলিব্রিটিদের মধ্যে একজন যাঁরা Love Nwantiti উন্মাদনায় যোগ দিয়েছেন। নাইজেরিয়ান গায়ক সিকেয়ের গানটি বর্তমানে ইউ টিউবের গ্লোবাল চার্টে এক নম্বর গান। এটি ইউটিউবে ১.১ কোটিরও বেশি ভিউ রয়েছে এবং লক্ষ লক্ষ ইনস্টাগ্রাম রিল এবং টিকটক ভিডিওগুলিতে ব্যবহৃত হয়েছে।এবছর টোকিও অলিম্পিক থেকে ব্রোঞ্জ জিতেছেন পিভি সিন্ধু। আগের অলিম্পিকেও দেশকে ব্রোঞ্জ এনে দিয়েছিলেন। তাঁর এই কৃতিত্বের জন্য কেন্দ্রীয় সরকার এবছর পিভি সিন্ধুকে পদ্মভূষণ সম্মানে সম্মানিত করেছে। এটি দেশের তৃতীয় সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান। এর আগে ২০১৫ সালে পদ্মশ্রী সম্মান পেয়েছিলেন দেশের সেরা এই মহিলা ব্যাডমিন্টন তারকা। ২০১৬ সালে রাজীব গান্ধী খেলরত্ন পুরস্কার পান। ভারতের রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ সোমবারই রাষ্ট্রপতি ভবনে পিভি সিন্ধুর হাতে পদ্মভূষণ পুরস্কার তুলে দেন।পুরস্কার নেওয়ার পর পিভি সিন্ধু বলেন, এই মুহূর্তটা আমার কাছে খুবই গর্বের। আমি সরকারের কাছে কৃতজ্ঞ৷ এই ধরণের সম্মান দারুণ উৎসাহ জোগায়৷ সামনে আরও ভাল পারফরমেন্স করাতে অনুপ্রেরণা জোগাবে। সিন্ধু আরও বলেন, আমি নিশ্চিতভাবে আরও বেশি পরিশ্রম করব। সামনে বেশ কয়েকটা প্রতিযোগিতা রয়েছে। আশা করছি সেগুলোতে ভাল পারপরমেন্স করব।

নভেম্বর ০৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌‌PV Sindhu : প্রথম ভারতীয় মহিলা হিসেবে দুটি অলিম্পিক পদক, ইতিহাসে পিভি সিন্ধু

টোকিও অলিম্পিকে দেশকে পদক এনে দিলেন পিভি সিন্ধু। চীনের হে বিং জিয়াংকে ২১১৩, ২১১৫ ব্যবধানে হারিয়ে ব্রোঞ্জ জিতলেন। অলিম্পিকে প্রথম ভারতীয় মহিলা খেলোয়াড় হিসেবে ব্যক্তিগত বিভাগে দুদুটি পদক জিতে ইতিহাস গড়লেন সিন্ধু। সেমিফাইনালে বিশ্বের একনম্বর তারকা তাই জুর কাছে হেরে গিয়েছিলেন। সেমিফাইনালে হারলেও পদক জয়ের সম্ভাবনা একেবারে শেষ হয়ে যায়নি পিভি সিন্ধুর। ব্রোঞ্জের সম্ভাবনা ছিল। ব্রোঞ্জের লড়াইয়ের এই ভারতীয় ব্যাডমিন্টন তারকার প্রতিপক্ষ ছিল হে বিং জিয়াও। অলিম্পিকে ব্রোঞ্জের লড়াইয়ে নামার আগে পরিসংখ্যানের দিক দিয়ে হে বিং জিয়াও এগিয়ে ছিলেন। এর আগে এই দুই শাটলার মুখোমুখি হয়েছিলেন ১৫ বার। বিং জিয়াও জিতেছিলেন ৯ বার, আর সিন্ধু জিতেছিলেন ৬ বার। অলিম্পিকে জিতে পরিসংখ্যান কিছুটা উন্নত করলেন সিন্ধু।আরও পড়ুনঃ স্বপ্ন শেষ, অলিম্পিক থেকে বিদায় বক্সার সতীশ কুমারেরপ্রথম গেমের শুরুতেই হে বিং জিয়াওয়ের বিরুদ্ধে ৪০ ব্যবধানে এগিয়ে গিয়েছিলেন পিভি সিন্ধু। সেখান থেকে সমতা ফেরান চীনের এই তারকা। একসময় ম্যাচের ফল ছিল ৮৮। এরপর ম্যাচের ওপর আস্তে আস্তে নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেন পিভি সিন্ধু। পরপর ৬ পয়েন্ট তুলে নিয়ে ১৪৮ ব্যবধানে এগিয়ে যান। শেষ পর্যন্ত ২১১৩ পয়েন্টে প্রথম গেম জিতে নেন সিন্ধু। সেমিফাইনালে তাই জুর বিরুদ্ধে যে যে ভুল করেছিলেন এই ভারতীয় শাটলার, এদিন প্রথম গেমে সেই ভুল গুলি শুধরে নেন। স্ম্যাশ, নেট প্লে, ড্রপ শট নেওয়ার ক্ষেত্রে দারুণ মুন্সিয়ানার পরিচয় দেন। দ্বিতীয় গেমেও সিন্ধু ধারবাহিকতা দরে রেখেছিলেন। দারুণ শুরু করে ৪১ ব্যবধানে এগিয়ে যান। কিন্তু দারুণভাবে ম্যাচে ফিরে আসেন চীনের হে বিং জিয়াও। ১১৮ পয়েন্টে পিছিয়ে থাকা অবস্থায় স্কোর ১১১১ করেন। সেখান থেকে আবার ম্যাচে এগিয়ে যেতে থাকেন সিন্ধু। শেষ পর্যন্ত ২১১৫ পয়েন্টে দ্বিতীয় সেট জিতে নেন এইই ভারতীয় ব্যাডমিন্টন তারকা। আরও পড়ুনঃ স্ ৪১ বছরের শাপমোচনের দিকে আরও একধাপ এগিয়ে গেলেন মনপ্রীতরাপ্রথম ভারতীয় মহিলা খেলোয়াড় হিসেবে অলিম্পিকে ব্যক্তিগত বিভাগে দুদুটি পদক জয়ের কৃতিত্ব দেখালেন পিভি সিন্ধু। আর ভারতীয় হিসেবে দ্বিতীয়। তাঁর আগে এই কৃতিত্ব দেখিয়েছিলেন কুস্তিগীর সুশীল কুমার। তিনি ২০০৮ বেজিং অলিম্পিকে ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন। ২০১২ লন্ডন অলিম্পিকে একধাপ ভাল করে রুপো জিতেছিলেন। অন্যদিকে পিভি সিন্দু ২০১৬ রিও অলিম্পিকে ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন।

আগস্ট ০১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Olympic: সেমিফাইনালেও পদক জয়ের সম্ভাবনা রয়েছে পিভি সিন্ধুর

টোকিও অলিম্পিকের সেমিফাইনালে বিশ্বের এক নম্বর তারকা চাইনিজ তাইপের তাই জু-র কাছে হেরে গেলেন ভারতের পিভি সিন্ধু। সেমিফাইনালে হারলেও পদক জয়ের সম্ভাবনা একেবারে শেষ হয়ে যাচ্ছে না সিন্ধুর। রবিবার ব্রোঞ্জের লড়াইয়ে চিনের হি বিংজিয়াওর মুখোমুখি হবেন ভারতের প্রথম বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন শাটলার।সেমিফাইনালে চাইনিজ তাইপের তাই জু-র বিরুদ্ধে এগিয়ে থেকেও প্রথম গেম হারেন সিন্ধু। দ্বিতীয় গেমে সিন্ধুকে দাঁড়াতে দেননি তাই জু। স্ট্রেট গেমে ম্যাচ হারেন হায়দরাবাদি শাটলার। সিন্ধুর বিরুদ্ধে চাইনিজ তাইপের ২৭ বছর বয়সী তাই জু জিতেছেন ২১-১৮, ২১-১২ পয়েন্টের ব্যবধানে। এর ফলে টোকিও অলিম্পিকে সিন্ধুর রুপো বা সোনা জয়ের স্বপ্নে ইতি ঘটেছে। যদিও ব্রোঞ্জ জয়ের সম্ভবনা রয়েছে।ম্যাচের শুরুটা দুর্দান্তভাবেই করেন পিভি সিন্ধু। প্রথম গেমে চাইনিজ তাইপেই প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে পয়েন্টের ব্যবধান বাড়িয়েও নিয়েছিলেন ভারতীয় শাটলার। একটা সময় ৯-৬ এবং ১১-৮ ব্যবধানে এগিয়ে ছিলেন পিভি। অভিজ্ঞতায় ভর করে সেখান থেকেই ম্যাচে ফিরতে শুরু করেন তাই জু। ১৪-১৪ হয়ে যাওয়ার পর প্রথম গেমে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়। কখনও ভারতীয় শাটলার এগোচ্ছিলেন তো কখনও টেক্কা দিচ্ছিলেন বিশ্বের এক নম্বর শাটলার। ১৮-১৮ হওয়ার পর গেমে সিন্ধুকে আর ফিরতে দেননি তাই জু-ইং। ২১-১৮ ব্যবধানে তিনি প্রথম গেম জেতেন।দ্বিতীয় গেমে আরও ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠেন তাই জু। কোর্টের নানা প্রান্তে ছোট ছোট চকিত শট খেলে পিভি সিন্ধুকে নাজেহাল করতে থাকেন চাইনিজ তাইপেইয়ের শাটলার। মাঝে বেশ কয়েকবার রণনীতি পরিবর্তন করেন ভারতীয় তারকা। তাই জু-ইংয়ের ছন্দ কাটতে আক্রমণাত্মক ঢঙে খেলা শুরু করেন পিভি। কিন্তু সব কিছুরই জবাব ছিল চাইনিজ তাইপেই শাটলারের কাছে। দ্বিতীয় গেমে একটা সময় ৪-৫ পয়েন্টের ব্যবধানে পিছিয়ে ছিলেন সিন্ধু। এরপর ৪-৭, ৫-৭ থেকে ৭-১১ পয়েন্টে পিছিয়ে পড়েন ভারতের প্রথম বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন। একটা সময় সিন্ধুর থেকে ১৬-৯ পয়েন্টে এগিয়ে যান চাইনিজ তাইপেইয়ের শাটলার। সেখান থেকে কোনও মতে আরও তিন পয়েন্ট অর্জন করতে সক্ষম হন পিভি। সবশেষে ২১-১২ পয়েন্টের ব্যবধানে সেমিফাইনাল জিতে যান বিশ্বের এক নম্বর শাটলার। সেমিফাইনালে জাজমেন্টে অনেক ভুল করেন পিভি সিন্ধু। আবার নিজের দুর্দান্ত অনুমান ক্ষমতা প্রয়োগ করে সিন্ধু মারা শটের আনফোর্সড এরর থেকেও পয়েন্ট অর্জন করেন তাই জু। সেমিফাইনাল হেরে গেলেও পিভি টোকিও অলিম্পিকে পিভি সিন্ধুর লড়াইয় মুগ্ধ করেছে দেশের ক্রীড়া জগতকে।

জুলাই ৩১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sindhu: টোকিও অলিম্পিকে সিন্ধুগর্জন, পৌঁছে গেলেন পদকের আরও কাছে

টোকিও অলিম্পিকে ভারতীয় নারী শক্তির দাপট। ভারোত্তোলনে পদক জিতে দেশে ফিরে এসেছেন মীরাবাই চানু। বক্সার লাভলিনা বরগোঁহাইয়ের বক্সিংয়ে পদক নিশ্চিত করেছেন। এবার পদকের দিকে পিভি সিন্ধুও অনেকটাই এগিয়ে গেলেন।২০১৬ সালে রিও অলিম্পিকের রুপোজয়ী ভারতীয় শাটলার সিন্ধু এদিন কোয়ার্টার ফাইনালে হারালেন চতুর্থ বাছাই জাপানের আকানে ইয়ামাগুচিকে। সিন্ধু জেতেন ২১-১৩, ২২-২০ ব্যবধানে। এদিনের আগে ১৮টি সাক্ষাতেই ইয়ামাগুচি পরাস্ত হয়েছিলেন সিন্ধু কাছে। এদিনও তার ব্যতিক্রম হল না।বিশ্বের ষষ্ঠ বাছাই সিন্ধু প্রথম গেমে আগাগোড়া দাপট বজায় রাখেন। ইয়ামাগুচিও যথেষ্ট ভালোই টক্কর দিচ্ছিলেন ভারতীয় ব্যাডমিন্টন তারকার সঙ্গে। কিন্তু সিন্ধুর সঙ্গে পেরে উঠছিলেন না। ২৩ মিনিটে প্রথম গেম জিতে নেন ২১-১৩ ব্যবধানে। দ্বিতীয় গেমের প্রথম দিকেও সমানে সমানে টক্কর দিতে থাকেন ইয়ামাগুচি। কিন্তু অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে সিন্ধু দাপট দেখাতে থাকেন। দ্বিতীয় গেমের মাঝামাঝি অবস্থাতেও সিন্ধু এগিয়ে ছিলেন ১১-৬ ব্যবধানে। এরপর দারুণভাবে ম্যাচে ফিরে এসে সমতা ফেরান ইয়ামাগুচি। ১৫-১৫ করে ফেলেন ইয়ামাগুচি, পরে এগিয়েও যান। যদিও স্নায়ুযুদ্ধ জিতে শেষ হাসি হাসেন সিন্ধু। খেলার ফল ২১-১৩, ২২-২০। ৩১ জুলাই তাঁর সেমিফাইনাল ম্যাচ। তবে শীর্ষ বাছাইয়ের মুখে পড়তে হচ্ছে না সেমিফাইনালে।

জুলাই ৩০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

PV Sindhu : কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে পদকের আরও কাছাকাছি পিভি সিন্ধু

গ্রুপ লিগে দুটি ম্যাচেই জয়। অলিম্পিকে মহিলাদের ব্যাডমিন্টনের সিঙ্গলসে কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে গেলেন পিভি সিন্ধু। পদক জয়ের পথে এগোলেন আরও একধাপ। পিভি সিন্ধু গ্রুপ লিগের প্রথম ম্যাচেই বুঝিয়ে দিয়েছিলেন দারুণ ছন্দে রয়েছেন। ভারতীয় এই ব্যাডমিন্টন তারকার ঝড়ে উড়ে গিয়েছিলেন ইজরায়েলের কেসিনিয়া পোলিকারপোভা। জে গ্রুপের দ্বিতীয় ম্যাচেও ছন্দ ধরে রাখলেন। সিন্ধু এদিন চেয়াংকে হারালেন ২১৯, ২১১৬ ব্যবধানে।আরও পড়ুনঃ শিক্ষকদের মমতার উপহার উৎসশ্রী আসলে কী? জানুনএনগান চেয়াংয়ের পক্ষে খুব বেশি প্রতিরোধ করার সুযোগ ছিল না। প্রথম গেমে এদিন চেয়াংকে দাঁড়াতেই দেননি। শুরু থেকেই ম্যাচে লিড নিতে থাকেন সিন্ধু। একসময় ৫২ ব্যবধানে এগিয়ে যান। এরপর আস্তে আস্তে লিড বাড়তে থাকে। শেষ পর্যন্ত ২১৯ ব্যবধানে প্রথম গেম জিতে নেন সিন্ধু। দ্বিতীয় গেমে অবশ্য কিছুটা খেলায় ফেরেন এনগান চেয়ুং। সিন্ধুর সঙ্গে সমানে সমানে লড়াই করতে থাকেন। একসময় ৬২ ব্যবধানে এগিয়ে ছিলেন সিন্ধু। সেখান থেকে টানা ৫ পয়েন্ট তুলে নিয়ে ৭৬ ব্যবধানে এগিয়ে যান চেয়ুং। দ্বিতীয় গেমের শেষ দিকে লড়াই দারুণ জমে ওঠে। কখনও এগিয়ে যান চেয়ুং, কখনও আবার সিন্ধু। শেষ পর্যন্ত ২১১৬ ব্যবধানে দ্বিতীয় গেম জিতে কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে যান বিশ্বে ৬ নম্বর এই ভারতীয় ব্যাডমিন্টন তারকা। আরও পড়ুনঃ লম্বা চুল রাখা যাবে না, লক্ষ্মীর ফতোয়াগ্রুপের প্রথম ম্যাচে ইজরায়েলের কেসিনিয়া পোলিকারপোভাকে উড়িয়ে দিয়েছিলেন। দ্বিতীয় ম্যাচেও সহজ জয়। গ্রুপ লিগে সহজ প্রতিপক্ষ পেলেও এবার আসল লড়াই কোয়ার্টার ফাইনালে। তবে পদক জয়ের সম্ভাবনা উজ্জ্বল করলেন পিভি সিন্ধু। রিও অলিম্পিকে রুপো জিতেছিলেন। টোকিও থেকে সোনা নিয়ে আসার স্বপ্ন। স্বপ্নপূরণের দিকে আরও একধাপ এগোলেন।

জুলাই ২৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

PV Sindhu : ‌পোলিকারপোভাকে উড়িয়ে দারুণভাবে অলিম্পিক অভিযান শুরু করলেন সিন্ধু

রিও অলিম্পিকে রুপো জিতেছিলেন। এবার টোকিও অলিম্পিকে পাখির চোখ করছেন সোনার পদক। সেই লক্ষ্যে প্রথম ধাপ দারুণভাবে উতরে গেলেন পিভি সিন্ধু। জে গ্রুপের প্রথম ম্যাচেই উড়িয়ে দিলেন ইজরায়েলের কেসেনিয়া পোলিকারপোভাকে। অতিমারীর আবহেও গত কয়েক মাসে অলিম্পিকের প্রস্তুতিতে কোনও ফাঁক রাখেননি সিন্ধু, গ্রুপ লিগের প্রথম ম্যাচেই বুঝিয়ে দিলেন। ভারতীয় এই ব্যাডমিন্টন তারকার ঝড়ে উড়ে গেলেন পোলিকারপোভা। ২১৭, ২১১০ ব্যবধানে প্রথম ম্যাচ জিতে নিলেন সিন্ধু।আরও পড়ুনঃ টোকিও অলিম্পিকে প্রথম পদক ভারতেরএদিন পোলিকারপোভাকে কোনও সুযোগই দেননি বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ে ৭ নম্বরে থাকা পিভি সিন্ধু। ম্যাচের প্রথম পয়েন্ট অবশ্য তুলে নিয়েছিলেন পোলিকারপোভা। প্রথম গেমের শুরুর দিকে সিন্ধুকে কিছুটা জড়তা ছিল সিন্ধুর। যতই হোক অলিম্পিকের মতো প্রতিযোগিতা বলে কথা। তাও আবার প্রথম ম্যাচ। দীর্ঘদিন আন্তর্জাতিক পর্যায়ে খেলার সুযোগও পাননি। জড়তা থাকাই স্বাভাবিক। আড়ষ্টতা কাটিয়ে উঠে নিজের সেরা ছন্দে পৌঁছতেই খড়কুটোর মতো উড়ে গেলেন কেসিনিয়া পোলিকারপোভা। প্রথম সেটে একসময় ৩১ পয়েন্টে এগিয়ে গিয়েছিলেন পোলিকারপোভা। সেখান থেকে ৪৪ করেন সিন্ধু। তারপর আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি এই ভারতীয় ব্যাডমিন্টন তারকাকে। একসময় টানা ১৪ পয়েন্ট তুলে নেন। পোলিকারপোভাকে ৫ পয়েন্টে দাঁন করিয়ে রেখে তিনি পৌঁছে যান ১৯ পয়েন্টে। শেষ পর্যন্ত ২১৭ ব্যবধানে সেট জিতে নেন।আরও পড়ুনঃ পিছিয়ে পড়েও দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন সুতীর্থার, পৌঁছে গেলেন দ্বিতীয় রাউন্ডেপ্রথম সেট জিতে আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বেড়ে যায় পিভি সিন্ধুর। দ্বিতীয় সেটে কোনও সুযোগই দেননি বিশ্ব র্যাঙ্কিংকে ৫৮ নম্বরে থাকা কেসিনিয়া পোলিকারপোভাকে। প্রতিপক্ষকে ৩ পয়েন্টে দাঁড় করিয়ে ১০ পয়েন্টে পৌঁছে যান সিন্ধু। টানা ৭ পয়েন্ট তুলে নেওয়ার পর পয়েন্ট হারান। তবে সেই সুযোগ নিতে পারেননি ইজরায়েলী পোলিকারপোভা। শেষ পর্যন্ত ২১১০ ব্যবধানে প্রথম ম্যাচ জিতে নেন। মাত্র ২৮ মিনিটেই ম্যাচ শেষ। পোলিকারপোভার বিরুদ্ধে এদিন তেমন কোনও ভুল করেননি সিন্ধু। রিও অলিম্পিকে রুপো জিতেছিলেন। টোকিও থেকে সোনা নিয়ে আসার স্বপ্ন। তার একটা ধাপ সবেমাত্র অতিক্রম করলেন এই ভারতীয় ব্যাডমিন্টন তারকা। পরের ম্যাচে হংকংয়ের ছেউং এনগান ইর মুখোমুখি হবেন তিনি। সহজ গ্রুপে পড়লেও প্রতিপক্ষকে মোটেই হালকাভাবে নিতে চান না পিভি সিন্ধু।

জুলাই ২৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

PV Sindhu : আক্রান্ত সিন্ধু, আঙুলের নখে শোভা পাচ্ছে অলিম্পিক রিং

রিও অলিম্পিকে রুপো জিতেছিলেন। এবার টোকিও অলিম্পিকে পাখির চোখ করছেন সোনার পদক। টোকিও পা দেওয়ার আগেই অলিম্পিক জ্বরে আক্রান্ত ভারতীয় মহিলা ব্যাডমিন্টন তারকা পিভি সিন্ধু। তার প্রমাণ সিন্ধুর আঙুলের নখে শোভা পাচ্ছে অলিম্পিক রিং। প্রস্তুতির মাঝেই টুইটারে একটা ছবি শেয়ার করেছেন পিভি সিন্ধু। সেই ছবিতে ভারতীয় এই ব্যাডমিন্টন তারকার মধ্যমা ও অনামিকা নখে শোভা পাচ্ছে অলিম্পিক রিং। এই ছবি পোস্ট করে সিন্ধু লিখেছেন, অলিম্পিক ফিভার। অতিমারীর আবহেও গত কয়েক মাসে অলিম্পিকের প্রস্তুতিতে কোনও ফাঁক রাখেননি পিভি সিন্ধু। করোনা তাঁর প্রস্তুতিতে কোনও ব্যাঘাত ঘটায়নি বলেও জানিয়েছেন তিনি। বরং একা একা অনুশীলনে নিজের দক্ষতা অনেকটাই বাড়িয়ে নিয়েছেন। মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভার্চুয়াল আলোচনায় হাজির ছিলেন পিভি সিন্ধু। সেখানে ডায়েট সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অলিম্পিকের আগে ডায়েটের কথা মাথায় রাখতেই হচ্ছে। তাই খুব বেশি আইসক্রিম খেতে পারছি না। অন্যান্য খাবারের দিকেও নজর দিতে হচ্ছে।টোকিও অলিম্পিকে তুলনামূলক সহজ গ্রুপে রয়েছেন পিভি সিন্ধু। গ্রুপে তাঁর চেয়ে র্যাঙ্কিংয়ে অনেক নিচের দিকে থাকে ইজরায়েলেন সোনিয়া পোলিকারপোভা ও হংকংয়ের ছেউং এনগান ইর মুখোমুখি হবেন তিনি। সহজ গ্রুপে পড়লেও প্রতিপক্ষকে মোটেই হালকাভাবে নিতে চান না পিভি সিন্ধু। শেষ ষোলোয় বিশ্বের ১২ নম্বর মিয়া ব্লিচফেল্টের বিরুদ্ধে খেলতে হতে পারে। রিও অলিম্পিকে সোনার পদকজয়ী ক্যারোলিনা মারিন চোটের জন্য টোকিও অলিম্পিক থেকে ছিটকে গেছেন। তাঁর কাছেই রিওতে ফাইনালে হারতে হয়েছিল সিন্ধুকে। টোকিওতে মারিনকে মিস করবেন বলে জানিয়েছেন এই ভারতীয় ব্যাডমিন্টন তারকা।রিও অলিম্পিকে ফাইনালে পৌঁছেও শেষরক্ষা হয়নি। মারিনের কাছে হেরে রুপো নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছিল। আগের অলিম্পিকে সোনা না জেতার আক্ষেপ টোকিওতে মেটাতে চান সিন্ধু। তাঁর লক্ষ্য দেশকে সোনা এনে দেওয়া। ভার্চুয়াল আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কথায় অনুপ্রানিত এই ভারতীয় ব্যাডমিন্টন তারকা।

জুলাই ১৫, ২০২১

ট্রেন্ডিং

বিনোদুনিয়া

‘ব্রাহ্মণদের উপরে মূত্রত্যাগ করি’, মন্তব্যের জের! এবার আদালতের কড়া পদক্ষেপের মুখে অনুরাগ

ব্রাহ্মণ সম্প্রদায়কে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করে আগেই সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন পরিচালক অনুরাগ কাশ্যপ। সেই মন্তব্যের জেরে দায়ের হওয়া মামলায় এ বার তাঁর বিরুদ্ধে জামিনযোগ্য পরোয়ানা জারি করল গুজরাটের সুরাট আদালত। অভিযোগ, একাধিক বার সমন পাঠানো হলেও আদালতে হাজির হননি পরিচালক। আগামী ২৪ ডিসেম্বর এই মামলার পরবর্তী শুনানি।বিতর্কের সূত্রপাত অনন্ত মহাদেবনের ছবি ফুলেকে ঘিরে। জ্যোতিরাও ফুলের জীবন অবলম্বনে তৈরি এই ছবির বিরুদ্ধে ব্রাহ্মণ সম্প্রদায়কে অসম্মান করার অভিযোগ উঠেছিল। ছবিটি নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই সমাজমাধ্যমে পরিচালক অনুরাগ কাশ্যপ একটি পোস্ট করেন। এক নেটব্যবহারকারী তাঁর মন্তব্যের সমালোচনা করলে পাল্টা জবাব দিতে গিয়ে ব্রাহ্মণদের সম্পর্কে আপত্তিকর মন্তব্য করেন অনুরাগ। তাঁর সেই মন্তব্য ঘিরেই শুরু হয় তীব্র বিতর্ক।এরপর অনুরাগের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন আইনজীবী তথা বিশ্ব হিন্দু পরিষদের নেতা কমলেশ রাভাল। তিনি নিজেও ব্রাহ্মণ সম্প্রদায়ের মানুষ। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে সুরাট আদালতে অনুরাগের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১৯৬, ৩৫২ এবং ৩৫৩(২) ধারায় মামলা হয়। অভিযোগগুলির মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে শত্রুতা ছড়ানো, শান্তিভঙ্গের উদ্দেশ্যে ইচ্ছাকৃত অপমান এবং মিথ্যা তথ্য প্রচার।অভিযোগকারীর দাবি, অনুরাগের মন্তব্য বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে বিভেদ ও শত্রুতা তৈরি করতে পারে। একজন চলচ্চিত্র পরিচালক হিসেবে তাঁর বক্তব্য সাধারণ মানুষের উপর প্রভাব ফেলতে পারে বলেও আদালতে দাবি করেন কমলেশ। তাঁর আরও অভিযোগ, একাধিক বার সমন পাঠানো হলেও আদালতে হাজির হননি অনুরাগ। এমনকি সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেও তাঁকে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তাতেও তিনি আদালতে আসেননি বলে অভিযোগ।এই পরিস্থিতিতে সুরাটের অতিরিক্ত মুখ্য বিচারবিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট জে ভি চৌহান অনুরাগ কাশ্যপের বিরুদ্ধে জামিনযোগ্য পরোয়ানা জারির নির্দেশ দেন। আগামী ২৪ ডিসেম্বর মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।বিতর্কের পর অবশ্য নিজের মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চেয়েছিলেন অনুরাগ। তিনি জানিয়েছিলেন, রাগের মাথায় এক ব্যক্তিকে জবাব দিতে গিয়ে পুরো ব্রাহ্মণ সম্প্রদায় সম্পর্কে আপত্তিকর কথা বলে ফেলেছিলেন। তাঁর মন্তব্যে নিজের পরিবারের সদস্য, পরিচিতজন এবং বহু বুদ্ধিজীবী কষ্ট পেয়েছেন বলেও স্বীকার করেন পরিচালক। তিনি বলেন, নিজের শব্দচয়নের জন্য অনুতপ্ত এবং মন থেকে সকলের কাছে ক্ষমা চাইছেন।কমলেশ রাভালের অভিযোগ, জ্যোতিরাও ফুলের জীবনীচিত্র ফুলে-এর ট্রেলার প্রকাশের পর ছবিটি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিল অল ইন্ডিয়া ব্রাহ্মণ সমাজ। সেই সময় অনুরাগের সমাজমাধ্যমের পোস্ট বিতর্ক আরও বাড়িয়ে দেয়। তাঁর দাবি, এই ধরনের মন্তব্য সমাজের পক্ষে ক্ষতিকর। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই আইনি পদক্ষেপ করা হয়েছে।

নভেম্বর ০৩, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

অরিজিৎ-এড শিরানের যুগলবন্দিতে ঝড়! ‘তু মিল যায়ে’র সাফল্যে শাহরুখের বিশেষ বার্তা

শাহরুখ খানের জন্মদিন উপলক্ষে ২ নভেম্বর মধ্যরাতে প্রকাশ্যে এসেছে তাঁর আগামী ছবি কিং-এর নতুন গান তু মিল যায়ে। গানটিতে শাহরুখ ও দীপিকার রোম্যান্সের পাশাপাশি শ্রোতাদের নজর কেড়েছে অরিজিৎ সিং ও ব্রিটিশ গায়ক এড শিরানের যুগলবন্দি। প্রকাশের মাত্র এক দিনেই গানটি ৬ কোটি বার দেখা হয়েছে বলে দাবি। এই সাফল্যে উচ্ছ্বসিত শাহরুখ নিজেও। এ বার গানটি নিয়ে মুখ খুললেন বলিউডের বাদশা।এক দিকে অরিজিৎ সিংয়ের কণ্ঠ, অন্য দিকে এড শিরানের গলায় হিন্দি গান। দুই জনপ্রিয় গায়কের এই যুগলবন্দি নিয়ে ইতিমধ্যেই উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন অনুরাগীরা। তাঁদের অনেকের মতে, শাহরুখের জনপ্রিয়তার কারণেই এমন ব্যতিক্রমী উদ্যোগ সম্ভব হয়েছে। তবে গানটির সাফল্যের কৃতিত্ব এড শিরানকেই দিয়েছেন অভিনেতা।মঙ্গলবার এড শিরানের একটি গানের মহড়ার ভিডিয়ো ভাগ করে নেন শাহরুখ। সেখানে ব্রিটিশ গায়ককে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি লেখেন, এই গানের জন্য তাঁকে শুধু ধন্যবাদ জানালেও যথেষ্ট হবে না। বিশেষ করে গানের হিন্দি অংশের জন্য তাঁর প্রতি ভালোবাসাও প্রকাশ করেন শাহরুখ।অন্য দিকে, গানটির সাফল্যের কৃতিত্ব একা নিতে চাননি এড শিরানও। অরিজিৎ সিংয়ের সঙ্গে কাজ করতে পেরে খুশি তিনি। কিং ছবির গানটির হাত ধরেই বলিউডের সঙ্গীতজগতে পা রাখলেন এই ব্রিটিশ গায়ক।এড শিরান জানিয়েছেন, মন্নতে শাহরুখের সঙ্গে প্রথম দেখা হওয়ার সময়ই অভিনেতা তাঁকে নিজের আগামী ছবির জন্য একটি গান তৈরি করার অনুরোধ করেছিলেন। সেই গানই পরে তু মিল যায়ে হয়ে ওঠে। এডের কথায়, কয়েক বছর ধরে শাহরুখের সঙ্গে তাঁর বন্ধুত্ব তৈরি হয়েছে। শাহরুখ তাঁর পছন্দের মানুষদের অন্যতম।শেষ বার ভারতে এসে এড শিরান অরিজিৎ সিংয়ের সঙ্গে স্যাফায়ার গানের ভিডিয়োয় শাহরুখকে একটি ছোট চরিত্রে অভিনয়ের অনুরোধ জানাতে মন্নতে গিয়েছিলেন। সেই সময় শাহরুখই তাঁর সঙ্গে সঙ্গীত পরিচালক শচীন-জিগারের পরিচয় করিয়ে দেন। এড জানিয়েছেন, সেই রাতেই কিং ছবির তু মিল যায়ে গানের নিজের অংশের কথা লেখেন এবং তা রেকর্ড করেন।গানটিতে অরিজিৎ সিংয়ের সঙ্গে কণ্ঠ মেলাতে পেরে খুশি এড শিরানও। তাঁর কথায়, তাঁর প্রিয় মানুষদের একসঙ্গে একটি কাজে যুক্ত হতে দেখে খুব ভালো লাগছে। অন্য দিকে, গানটিতে দীপিকার অংশে কণ্ঠ দিয়েছেন মধুমন্তী বাগচী। শাহরুখ ও দীপিকার রসায়ন, অরিজিৎ ও এড শিরানের কণ্ঠ সব মিলিয়ে তু মিল যায়ে ঘিরে অনুরাগীদের আগ্রহ এখন তুঙ্গে।

নভেম্বর ০৩, ২০২৬
দেশ

খসড়া ভোটার তালিকায় নাম নেই? পুরনো ভোটাররাও জমা দিতে পারবেন ফর্ম ৬, বড় ঘোষণা কমিশনের

এসআইআরের খসড়া ভোটার তালিকায় নাম নেই? তা হলে নতুন করে ফর্ম ৬ জমা দিয়ে ভোটার তালিকায় নাম তোলার আবেদন করতে পারবেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। শুধু আগের ভোটার তালিকায় নাম ছিল বলে নতুন করে ফর্ম ৬ জমা দেওয়াকে মিথ্যা তথ্য দেওয়া বলে ধরা যাবে না। এমনকি এই কারণে কোনও ভোটারের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপও করা যাবে না। স্পষ্ট জানিয়ে দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন।ফর্ম ৬ সাধারণত নতুন ভোটারদের নাম তালিকায় তোলার জন্য ব্যবহার করা হয়। তাই আগে থেকেই ভোটার তালিকায় নাম থাকা ব্যক্তিরা নতুন করে এই ফর্ম জমা দিতে পারবেন কি না, তা নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছিল। সেই বিভ্রান্তি দূর করতেই কমিশনের এই নির্দেশ।তবে এ ক্ষেত্রে একটি শর্ত রয়েছে। আবেদনকারীর নাম অন্য কোনও বিধানসভা বা লোকসভা কেন্দ্রের ভোটার তালিকায় থাকা চলবে না। এসআইআর প্রক্রিয়া চলাকালীন যেমন ফর্ম ৬ জমা দেওয়া যাবে, তেমনই প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরেও এই ফর্মের মাধ্যমে নাম তোলার আবেদন করা যাবে।দিল্লি হাই কোর্টের একটি রায়ের উল্লেখ করে এই নির্দেশ দিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। নতুন নির্দেশের কথা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে সব রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদেরও জানানো হয়েছে।এসআইআরের পর এবার ভোটার তালিকার বিশেষ সংক্ষিপ্ত সংশোধন নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। নভেম্বর মাস থেকে এই প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার কথা। তা নিয়ে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে সর্বদলীয় বৈঠক হয়। বৈঠকে রাজনৈতিক দলগুলির প্রতিনিধিরা অংশ নেন। সূচি অনুযায়ী, আগামী ২৩ নভেম্বর খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের কথা। চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের সম্ভাব্য তারিখ ১৬ জানুয়ারি।এ দিনের বৈঠকে ফর্ম ৭-এর অপব্যবহার নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করে তৃণমূল, বাম ও কংগ্রেস। তাদের অভিযোগ, এই ফর্ম ব্যবহার করে একসঙ্গে অনেক ভোটারের নাম বাদ দেওয়ার চেষ্টা হতে পারে। তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষের প্রশ্ন, একজন ব্যক্তি কী ভাবে একটি বিধানসভা কেন্দ্র থেকেই একাধিক ফর্ম ৭ জমা দিতে পারেন? তাঁর আশঙ্কা, এই সুযোগের অপব্যবহার হলে বহু ভোটারের নাম বাদ পড়তে পারে অথবা তাঁদের আবেদন ঝুলিয়ে রাখা হতে পারে। ফর্ম ৭-এর অপব্যবহার বন্ধ করার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

নভেম্বর ০৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

অধিনায়ক হিসেবে কেন ব্যর্থ হয়েছিলেন শচীন? এত বছর পর সামনে আনলেন সেই অজানা কারণ!

ব্যাট হাতে তিনি ক্রিকেটের কিংবদন্তি। তাঁর নামের পাশে রয়েছে অসংখ্য রেকর্ড। কিন্তু অধিনায়ক হিসেবে সেই সাফল্য দেখাতে পারেননি শচীন তেণ্ডুলকর। দুদফায় ভারতীয় দলের নেতৃত্ব দিয়েও প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেননি তিনি। পরে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে ঘুরে দাঁড়ায় ভারতীয় ক্রিকেট। কিন্তু শচীনের অধিনায়কত্ব কেন সফল হয়নি? এর পিছনে কি শুধু তাঁর নেতৃত্বের দুর্বলতা ছিল, নাকি অন্য কোনও কারণও ছিল? এত বছর পর সেই প্রশ্নের উত্তর দিলেন স্বয়ং শচীন।দুদফায় ভারতীয় দলের অধিনায়ক হয়েছিলেন শচীন। প্রথম বার ১৯৯৬ থেকে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত। দ্বিতীয় বার ১৯৯৯ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত। সম্প্রতি এক ভক্তের প্রশ্নের উত্তরে নিজের অধিনায়কত্বের অভিজ্ঞতা নিয়ে মুখ খোলেন তিনি।শচীন জানান, দেশের অধিনায়ক হওয়া তাঁর কাছে সব সময়ই সম্মানের বিষয় ছিল। তবে দল নির্বাচনের ক্ষেত্রে তিনি পুরো স্বাধীনতা পেতেন না। তাঁর কথায়, এখন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড অনেক বেশি পেশাদার। কিন্তু নব্বইয়ের দশকে পরিস্থিতি এমন ছিল না। সেই সময় ভারতীয় ক্রিকেট কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিল।শচীনের এই মন্তব্যে প্রশ্ন উঠেছে, তাঁর অধিনায়কত্বের ব্যর্থতার পিছনে কি বোর্ডের কর্মকর্তাদেরও ভূমিকা ছিল? যদিও কাউকে সরাসরি দায়ী করেননি তিনি। তবে সেই সময় দল পরিচালনা ও নির্বাচনের ক্ষেত্রে যে নানা সমস্যা ছিল, তাঁর কথায় সেই ইঙ্গিত স্পষ্ট।নব্বইয়ের দশকের শেষ দিকে ভারতীয় ক্রিকেট একাধিক সমস্যার মুখে পড়ে। ২০০০ সালে ম্যাচ গড়াপেটার অভিযোগ সামনে আসার পর ভারতীয় ক্রিকেটে বড়সড় ধাক্কা লাগে। সেই ঘটনায় তৎকালীন অধিনায়ক মহম্মদ আজহারউদ্দিনের নাম জড়ায় এবং পরে তাঁকে নিষিদ্ধ করা হয়। এমন কঠিন পরিস্থিতিতে ভারতীয় দলের দায়িত্ব নেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। তাঁর নেতৃত্বে নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা শুরু করে ভারত।শচীনের পছন্দের অধিনায়কদের তালিকাতেও রয়েছেন সৌরভ। মহেন্দ্র সিংহ ধোনির পাশাপাশি সৌরভের নেতৃত্বের প্রশংসাও করেছেন তিনি।শচীনের অধিনায়কত্বের পথও খুব মসৃণ ছিল না। প্রথম দফায় তাঁকে নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে ফের আজহারউদ্দিনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। ১৯৯৯ সালের বিশ্বকাপে ভারতের ব্যর্থতার পর আবার অধিনায়ক করা হয় শচীনকে। তবে দ্বিতীয় দফাতেও বেশিদিন দায়িত্বে থাকেননি তিনি। ২০০০ সালে নিজেই অধিনায়কত্ব ছেড়ে দেন। এরপর ভারতীয় দলের দায়িত্ব পান সৌরভ।পরিসংখ্যানেও শচীনের অধিনায়কত্বের সাফল্য খুব বেশি নয়। তাঁর নেতৃত্বে ২৫টি টেস্টের মধ্যে ভারত জিতেছিল চারটিতে। এক দিনের ক্রিকেটে ৭৩টি ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়ে জয় পেয়েছিলেন ২৩টিতে। তবে এই পরিসংখ্যানের বাইরেও তাঁর অধিনায়কত্বের সময়কার পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

নভেম্বর ০৩, ২০২৬
দেশ

বন্ধুকে খুনের পর ২০ দিন ধরে একই স্বপ্ন! শেষ পর্যন্ত থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ যুবকের

মদের আসরে দুই বন্ধুর মধ্যে বচসা। সেই ঝামেলা গড়ায় মারামারিতে। অভিযোগ, এক বন্ধুর হাতে খুন হন অন্য জন। এর পর বাড়িওয়ালার সাহায্যে দেহ লোপাট করেন অভিযুক্ত যুবক। ঘটনার পর কেটে গিয়েছে ২০ দিন। কিন্তু এই সময়ের মধ্যে বার বার স্বপ্নে ফিরে আসছিলেন খুন হওয়া বন্ধু। এমনই দাবি অভিযুক্তের। শেষ পর্যন্ত নিজেই থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন তিনি। এই ঘটনায় বাড়িওয়ালাকেও গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।ঘটনাটি মহারাষ্ট্রের ডোম্বিভলির মোথাগাঁও এলাকার। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত যুবকের নাম প্রভু কারাকাডে। মৃতের নাম বিশাল কদম। দুজনের মধ্যে ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্ব ছিল। প্রায় ২০ দিন আগে একটি ভাড়াবাড়িতে বসে মদ্যপান করছিলেন তাঁরা। সেই সময় কোনও বিষয় নিয়ে দুজনের মধ্যে বচসা শুরু হয়। কিছুক্ষণের মধ্যেই তা হাতাহাতিতে গড়ায়।অভিযোগ, রাগের মাথায় বিশালকে এলোপাথাড়ি ঘুষি ও লাথি মারেন প্রভু। গুরুতর আঘাতের কারণে মৃত্যু হয় বিশালের। বন্ধুর মৃত্যু হয়েছে বুঝতে পেরে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন অভিযুক্ত। এর পর বাড়ির মালিককে পুরো ঘটনা জানান তিনি। অভিযোগ, দুজনে মিলে বিশালের দেহ সরিয়ে ফেলেন। তার পর যে যার মতো বাড়ি ফিরে যান। এলাকা ছেড়ে পালানোর পরিকল্পনাও করেছিলেন প্রভু।কিন্তু পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণের আগে ২০ দিন ধরে মানসিক অশান্তিতে ভুগছিলেন বলে দাবি করেছেন অভিযুক্ত। তাঁর বক্তব্য, ঘুমের মধ্যে বার বার খুন হওয়া বন্ধুর রক্তাক্ত মুখ দেখতে পেতেন তিনি। সেই স্বপ্ন তাঁকে তাড়া করে বেড়াচ্ছিল। শেষ পর্যন্ত আর মানসিক চাপ সহ্য করতে না পেরে নিজেই থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন প্রভু।ঘটনার তদন্তে নেমে প্রভুর পাশাপাশি বাড়িওয়ালাকেও গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। খুন এবং প্রমাণ লোপাটের অভিযোগে তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। কী কারণে দুই বন্ধুর মধ্যে ঝামেলা শুরু হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। পাশাপাশি, খুনের পর বাড়িওয়ালা কেন অভিযুক্তকে সাহায্য করেছিলেন, সেই প্রশ্নেরও উত্তর খুঁজছে পুলিশ।মদের আসরে সামান্য বচসা থেকেই কি এই খুন, নাকি এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে? পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

নভেম্বর ০৩, ২০২৬
রাজ্য

মাধ্যমিক টেস্ট পরীক্ষা নিয়ে বড় নির্দেশ পর্ষদের! পরীক্ষা শেষেই স্কুলকে পাঠাতে হবে প্রশ্নপত্র, না মানলে বিপদ?

২০২৭ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের টেস্ট পরীক্ষা নিয়ে কড়া পদক্ষেপ করল পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। টেস্ট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র তৈরি এবং তা জমা দেওয়া নিয়ে স্কুলগুলিকে একগুচ্ছ নির্দেশ পাঠানো হয়েছে। পর্ষদের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, টেস্ট পরীক্ষা শেষ হওয়ার দিনই প্রতিটি বিষয়ের প্রশ্নপত্রের স্ক্যান করা কপি এবং সম্পাদনা করা যায় এমন সফট কপি নির্দিষ্ট ইমেল ঠিকানায় পাঠাতে হবে। সেই ইমেল ঠিকানাও জানিয়ে দিয়েছে পর্ষদ।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রশ্নপত্র তৈরির সম্পূর্ণ দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট স্কুলের বিষয়ভিত্তিক শিক্ষকদের। কোনও ভাবেই একাধিক স্কুল মিলে যৌথভাবে প্রশ্নপত্র তৈরি করতে পারবে না। কোনও বাইরের সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানের সাহায্য নিয়েও প্রশ্ন তৈরি করা যাবে না। অর্থাৎ, প্রতিটি স্কুলকে নিজেদের উদ্যোগেই সব বিষয়ের প্রশ্নপত্র তৈরি করতে হবে।প্রশ্নপত্রের বিষয়বস্তু নিয়েও সতর্ক করেছে পর্ষদ। কোনও প্রশ্নে যাতে বিতর্ক তৈরি হতে পারে, এমন বিষয় রাখা যাবে না। যে প্রশ্নের কারণে রাজ্য সরকার বা পর্ষদকে অস্বস্তিতে পড়তে হতে পারে, তা এড়িয়ে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, এই নিয়মের কোনও ব্যতিক্রম হলে সংশ্লিষ্ট স্কুলের প্রধান শিক্ষক বা প্রধান শিক্ষিকাকেই দায় নিতে হবে।পর্ষদের এই নির্দেশ সামনে আসতেই স্কুলগুলির মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। বঙ্গীয় শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতির সাধারণ সম্পাদক স্বপন মণ্ডল এই নির্দেশের সমালোচনা করেছেন। তাঁর বক্তব্য, আগের সরকারের মতো বর্তমান সরকারও টেস্ট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র নিয়ে আশঙ্কায় রয়েছে। তাঁর আরও প্রশ্ন, স্কুলের প্রধান শিক্ষক বা প্রধান শিক্ষিকারা কি সব বিষয়ের বিশেষজ্ঞ? যদি না হন, তা হলে প্রশ্নপত্র নিয়ে কোনও সমস্যা হলে তাঁদের দায়ী করা হবে কেন?তবে এই নির্দেশিকা নিয়ে শিক্ষক সংগঠনের তরফে প্রশ্ন উঠলেও, বিষয়টি নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদের পক্ষ থেকে এখনও আলাদা করে কোনও বক্তব্য জানানো হয়নি। ২০২৭ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষার আগে টেস্ট পরীক্ষা নিয়ে পর্ষদের এই নতুন নির্দেশ স্কুলগুলির কাছে কতটা কার্যকর হয়, এখন সেটাই দেখার।

নভেম্বর ০৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের টিকিটের জন্য হুড়োহুড়ি! আবেদন করলেন ৮৪ লক্ষ, মাঠে ঢুকতে পারবেন মাত্র ৩৪ হাজার

বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বেই মুখোমুখি ভারত ও পাকিস্তান। আগামী বছরের ১০ অক্টোবর জোহানেসবার্গে মুখোমুখি হবে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী। এই ম্যাচ ঘিরে ক্রিকেটপ্রেমীদের উন্মাদনা যে কতটা, তা স্পষ্ট টিকিটের আবেদনের পরিসংখ্যানে। মাঠে বসে খেলা দেখার সুযোগ পাবেন মাত্র ৩৪ হাজার দর্শক। অথচ ইতিমধ্যেই টিকিটের জন্য আবেদন করেছেন অন্তত ৮৪ লক্ষ মানুষ! অর্থাৎ মাঠের আসনসংখ্যার প্রায় ২৪৭ গুণ আবেদন জমা পড়েছে।মাসখানেক আগে ২০২৭ সালের এক দিনের বিশ্বকাপের সূচি ঘোষণা করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা। ৭ অক্টোবর অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে ভারত। তার ঠিক তিন দিন পর, ১০ অক্টোবর পাকিস্তানের মুখোমুখি হবে তারা। জোহানেসবার্গে আয়োজিত হবে এই বহু প্রতীক্ষিত ম্যাচ। টিকিটের চাহিদার নিরিখে ইতিমধ্যেই বাকি ম্যাচগুলিকে ছাপিয়ে গিয়েছে ভারত-পাকিস্তান লড়াই।এই বিশ্বকাপের ফাইনালও হবে জোহানেসবার্গের একই মাঠে। ২০০৭ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালেও এই মাঠে মুখোমুখি হয়েছিল ভারত ও পাকিস্তান। মহেন্দ্র সিংহ ধোনির নেতৃত্বে সেবার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ভারত। জানা গিয়েছে, ২০২৭ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালের টিকিটের জন্যও আবেদন করেছেন অন্তত ৭৯ লক্ষ মানুষ। তবে সেই সংখ্যাকেও ছাপিয়ে গিয়েছে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের চাহিদা।ভারতের অন্য ম্যাচগুলির টিকিট নিয়েও আগ্রহ কম নয়। গ্রুপ পর্বে ভারতের প্রথম তিনটি ম্যাচের টিকিটের জন্যও বিপুল আবেদন জমা পড়েছে। গ্রুপ পর্বের পাশাপাশি সুপার সেভেন পর্বের ম্যাচগুলির টিকিটের জন্যও আবেদন করার সুযোগ রয়েছে। সম্ভাব্য দলগুলির বিন্যাস আগেই জানিয়ে দিয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা। ফলে কোন ম্যাচে কোন দল মুখোমুখি হতে পারে, তা আন্দাজ করে আগেভাগেই পরিকল্পনা করছেন সমর্থকেরা।ভারত ও পাকিস্তান দুদলই সুপার সেভেন পর্বে উঠলে ৭ নভেম্বর ফের মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেই ম্যাচের টিকিটের জন্যও আবেদন শুরু করেছেন ক্রিকেটপ্রেমীরা। আগামী ২১ নভেম্বর পর্যন্ত টিকিটের আবেদন করার সুযোগ রয়েছে। ফলে আবেদনকারীর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

নভেম্বর ০৩, ২০২৬
দেশ

একসময় কংগ্রেসের তুরুপের তাস ছিলেন কানহাইয়া, এখন তাঁর জায়গায় নেহা? কী বদলাচ্ছে হাত শিবিরে?

এক সময় দেশের বামপন্থী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম পরিচিত মুখ ছিলেন কানহাইয়া কুমার। ছাত্র আন্দোলনের মঞ্চে তাঁর জ্বালাময়ী বক্তৃতা এবং রাজনৈতিক বক্তব্য তাঁকে দ্রুত জাতীয় রাজনীতির পরিচিত মুখ করে তুলেছিল। পরে কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার পর তাঁকে ঘিরে দলের অন্দরে অনেক প্রত্যাশা তৈরি হয়। কিন্তু সেই প্রত্যাশা কি এখন ফিকে হয়ে এসেছে? রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, কংগ্রেসে ক্রমশ গুরুত্ব হারাচ্ছেন কানহাইয়া। অন্য দিকে, দলের বিভিন্ন কর্মসূচিতে সামনে আসছেন আর এক বামপন্থী ছাত্রনেত্রী নেহা বোরার। রাহুল গান্ধী এবং কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতা নিয়েও শুরু হয়েছে আলোচনা।দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র রাজনীতি থেকে উঠে আসা নেহা এখন দেশের বামপন্থী ছাত্র আন্দোলনের পরিচিত মুখ। নিট পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের অভিযোগের প্রতিবাদে দিল্লির যন্তর মন্তরে আন্দোলনের সময় তিনি নজরে আসেন। সেই সময় পরিবেশকর্মী সোনম ওয়াংচুকের সঙ্গে দিল্লিতে দীর্ঘ অনশনেও অংশ নিয়েছিলেন তিনি। টানা অনশনের কারণে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছিল বলে জানা যায়।এর পরেও একাধিক ছাত্র আন্দোলনে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সর্বভারতীয় সভাপতি নেহা। বিভিন্ন ইস্যুতে তাঁর সক্রিয়তা তাঁকে দেশের ছাত্র রাজনীতিতে পরিচিতি দিয়েছে। সম্প্রতি জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে বিরোধীদের আন্দোলনেও তাঁকে সক্রিয় দেখা গিয়েছে। কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধীর সুপ্রিম কোর্ট অভিযানেও সামনে ছিলেন নেহা। ওই কর্মসূচিতে তাঁকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মত।সম্প্রতি কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খড়্গের বাসভবনে আয়োজিত নকল সংসদ কর্মসূচিতে অংশ নেন নেহা। পরের দিন দিল্লির রামলীলা ময়দানে বিরোধী জোটের সমাবেশেও বক্তৃতা করেন তিনি। সেখানে নির্বাচন কমিশন এবং নরেন্দ্র মোদী সরকারের সমালোচনা করেন এই ছাত্রনেত্রী। তাঁর বক্তৃতা ঘিরে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে ওই মঞ্চে এক সময়ের পরিচিত ছাত্রনেতা কানহাইয়া কুমারকে দেখা যায়নি। কংগ্রেসের অন্য ছাত্র ও যুব নেতাদেরও তেমন গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না বলে দলের অন্দরে আলোচনা চলছে।এক সময় রাহুল গান্ধীর উদ্যোগেই সিপিআই ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দিয়েছিলেন কানহাইয়া। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের টিকিটে দিল্লি থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও জিততে পারেননি তিনি। পরে দলের ছাত্র সংগঠন এনএসইউআইয়ের পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব পান। কিন্তু দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচনে সংগঠনের ফল আশানুরূপ হয়নি। দলের একটি অংশের অভিযোগ, সেখানে এনএসইউআইয়ের খারাপ ফলের পর কানহাইয়ার উপর অসন্তুষ্ট হন কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব। এই ঘটনার পর থেকেই দলের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব বেড়েছে বলে দাবি রাজনৈতিক মহলের একাংশের।এই পরিস্থিতিতে নেহার উত্থানকে অনেকেই কানহাইয়ার সঙ্গে তুলনা করছেন। তাঁদের মতে, কংগ্রেসের যুব রাজনীতিতে কানহাইয়ার যে জায়গা এক সময় ছিল, সেই জায়গায় এখন নেহাকে দেখা যেতে পারে। যদিও এ বিষয়ে কংগ্রেসের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক বক্তব্য সামনে আসেনি।তবে নেহাকে ঘিরে কংগ্রেসের অন্দরে সকলেই যে খুশি, তা নয়। দলের একাংশের মধ্যে বামপন্থী ছাত্র রাজনীতির সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা নিয়ে অস্বস্তি রয়েছে বলে খবর। আবার নেহার সংগঠন আইসা-কে নিয়ে বিরোধীদের একাংশের সমালোচনাও রয়েছে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, তরুণ ছাত্রনেতাদের সামনে এনে দলের রাজনৈতিক জমি শক্ত করার চেষ্টা কংগ্রেসের কাছে নতুন নয়। তবে সময়ের সঙ্গে সেই নেতাদের গুরুত্ব কমে যাওয়ার অভিযোগও বার বার উঠেছে।নেহার রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েও বিতর্ক রয়েছে। তিনি উমর খালিদের মুক্তির দাবিতে সরব হয়েছেন। এই অবস্থানকে কেন্দ্র করে ভবিষ্যতে বিজেপি কংগ্রেসকে আক্রমণ করার রাজনৈতিক সুযোগ পেতে পারে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকদের একাংশ। অতীতেও কানহাইয়াকে ঘিরে একই ধরনের রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। ফলে নেহার সঙ্গে কংগ্রেসের ঘনিষ্ঠতা বাড়লে সেই বিষয়টি জাতীয় রাজনীতিতে নতুন বিতর্কের জন্ম দিতে পারে।সব মিলিয়ে প্রশ্ন উঠছে, কংগ্রেস কি সত্যিই কানহাইয়া কুমারের বদলে নেহা বোরাকে সামনে আনার চেষ্টা করছে? নাকি বিরোধী আন্দোলনের মঞ্চে নেহার সক্রিয় উপস্থিতিকে ঘিরেই তৈরি হয়েছে এই জল্পনা? রাহুল গান্ধীর সঙ্গে তাঁর রাজনৈতিক সমীকরণ আগামী দিনে কোন দিকে এগোয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

নভেম্বর ০৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal